সান্তোস ক্লাবের সভাপতি মার্সেলো তেইশেইরা ফুটবল প্রেমীদের জন্য সুখবর দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সুপারস্টার নেইমারের মাঠে ফেরার সময় খুব কাছাকাছি চলে এসেছে।
গত বছরের শেষ দিকে হাঁটুর অস্ত্রোপচারের পর বর্তমানে ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। ২০২৫ মৌসুমের শেষের দিকে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে খেলেন তিনি। ২২ ডিসেম্বর তার বাম হাঁটুতে একটি আর্থ্রোস্কোপিক সার্জারি করা হয়েছিল। বর্তমানে নেইমার সান্তোসের রেই পেলে ট্রেনিং সেন্টারে ক্লাবটির মেডিকেল টিমের অধীনে পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।
ভক্তদের মনে বড় প্রশ্ন ছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী সাও পাওলোর বিপক্ষে আসন্ন ম্যাচগুলোতেই নেইমারকে দেখা যাবে কি না? তবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ এখনই কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করতে নারাজ।
নেইমারের এই প্রত্যাবর্তন সান্তোসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ক্লাবটি বর্তমানে কাম্পেওনাতো পাউলিস্তায় কিছুটা কঠিন সময় পার করছে। এখন পর্যন্ত খেলা চার ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে জয় পাওয়ায় পয়েন্ট টেবিলের নবম স্থানে রয়েছে তারা।
সভাপতি তেইশেইরা স্পষ্ট করেছেন, তারা নেইমারকে তড়িঘড়ি করে মাঠে নামাতে চান না। তারা চান তিনি যেন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে পুরো মৌসুম দলের সাথে থাকতে পারেন। ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই নেইমারের মূল রিকভারি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সান্তোস সভাপতির মতে, নির্দিষ্ট তারিখ না থাকলেও নেইমারের মাঠে নামার মুহূর্তটি এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।
ক্লাব ফুটবলের পাশাপাশি নেইমারের লক্ষ্য এখন ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ। জাতীয় দল ব্রাজিলের হয়ে সবশেষ ২০২৩ সালের অক্টোবরে উরুগুয়ের বিপক্ষে খেলেছিলেন তিনি। সেই ম্যাচেও নেইমার চোটে পড়েন। এরপর থেকে সেলেসাওদের হয়ে আর মাঠে নামা হয়নি। বর্তমানে ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে থাকা ব্রাজিল দলে জায়গা করে পেতে নেইমার মরিয়া। বিশ্বকাপ জয়ী তারকা ক্লেবারসনও মনে করেন, ফিটনেসের দিক থেকে পিছিয়ে থাকলেও নেইমারের সহজাত প্রতিভা তাকে দলের জন্য অপরিহার্য করে তুলেছে। মার্চের শেষ দিকে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচ রয়েছে। আর এইসব ম্যাচে ফিরতে হলে সান্তোসের হয়ে নেইমারকে নিজের ফর্ম ও ফিটনেসের প্রমাণ দিতে হবে।
