ফিরেই নেইমার ঝলক, সান্তোস জিতলো ৬-০ গোলে

নেইমার ভক্তদের জন্য এর চেয়ে বড় সুসংবাদ আর কী হতে পারে! দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সবুজ গালিচায় আবারও সেই পুরোনো জাদুকরী ছন্দ। ইনজুরি কাটিয়ে সান্তোসের সাদা জার্সিতে নেইমারের প্রত্যাবর্তন যেন কেবল একটি ম্যাচ ছিল না, ছিল সমালোচকদের কড়া জবাব।


ফুটবল প্রেমীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রহর কাটল। আবারও সেই ড্রিবলিং, সেই গতি আর মাঝমাঠে বল পায়ে চনমনে এক নেইমার জুনিয়র। নেইমার মানেই তো শিল্প, নেইমার মানেই তো গ্যালারি ভর্তি উন্মাদনা। দীর্ঘ ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফিরেই তিনি প্রমাণ করলেন, মুকুটহীন সম্রাট কেন আজও ফুটবলের রাজপুত্র।


ভিলো ক্লাবের বিপক্ষে সেই ৪৫ মিনিটের জাদু।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ছিল কিছুটা উৎকণ্ঠার। ইনজুরি থেকে ফেরা নেইমারকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চাননি সান্তোস কোচ। তাই প্রথমার্ধে তিনি ডাগআউটে বসেই সতীর্থদের লড়াই দেখছিলেন। কিন্তু বিরতির পর যখন তিনি মাঠে নামলেন, পুরো স্টেডিয়ামের আবহ যেন মুহূর্তেই বদলে গেল।
মাঠে নামার পর থেকে সেকেন্ডে সেকেন্ডে নিজের উপস্থিতির জানান দিচ্ছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। তার পা থেকে বের হওয়া নিখুঁত পাসিং একুরেসি আর পুরোনো সেই ড্রিবলিং গতি দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে তিনি লম্বা সময় মাঠের বাইরে ছিলেন।


এসিস্ট দিয়ে শুরু, আনচেলত্তিকে বার্তা
শুধুমাত্র নান্দনিক ফুটবল খেলাই নয়, দলের জয়েও রাখলেন সরাসরি অবদান। তার পা থেকেই এল দুর্দান্ত এক এসিস্ট, যা দর্শকদের আবারও মনে করিয়ে দিল কেন তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে গোটা ব্রাজিল।
নেইমারের এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স আসলে কেবল একটি ক্লাবের জয় নয়, বরং এটি জাতীয় দলের কোচ কার্লো আনচেলত্তির প্রতি এক জোরালো বার্তা। আসন্ন বিশ্বকাপ স্কোয়াডে নিজের জায়গা করে নিতে যে তিনি কতটা মরিয়া এবং ফিট, ৪টি গোল না করেও সেই ৪৫ মিনিটেই তা বুঝিয়ে দিয়েছেন ‘ও নেই’।

নেইমারের এই প্রত্যাবর্তন কেবল সান্তোসের জন্য নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের জন্যই স্বস্তির। ছন্দময় নেইমার মাঠে থাকা মানেই গ্যালারিতে শৈল্পিক ফুটবলের নিশ্চয়তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back To Top