২০২৬ বিশ্বকাপ সামনে রেখে বড় ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নিজেদের বেজ ক্যাম্প হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিকে বেছে নিয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল।
টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের প্রস্তুতির জন্য এই শহরটিকেই সবচেয়ে সুবিধাজনক মনে করছে আলবিসেলেস্তেরা।
আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) জানিয়েছে, ম্যাচ ভেন্যুগুলোর সাথে দূরত্বের কথা মাথায় রেখেই এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আগামী ১৬ জুন কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এনএফএল দল কানসাস সিটি চিফসের ঘরের মাঠ হিসেবে পরিচিত এই স্টেডিয়ামটি আর্জেন্টিনার উদ্বোধনী ম্যাচের ভেন্যু হওয়ায় এর আশেপাশেই ঘাঁটি গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
টুর্নামেন্ট চলাকালীন অনুশীলনের জন্য আর্জেন্টিনা ব্যবহার করবে কম্পাস মিনারেলস ন্যাশনাল পারফরম্যান্স সেন্টার। অত্যাধুনিক এই কমপ্লেক্সে রয়েছে পাঁচটি উন্নতমানের ফুটবল মাঠ, হাই-পারফরম্যান্স স্পোর্টস ল্যাবরেটরি, হাইপারবারিক চেম্বার এবং ক্রায়োথেরাপি রুমের মতো বিশ্বমানের সব সুযোগ-সুবিধা। এমএলএস দল স্পোর্টিং কানসাস সিটি নিয়মিত এই মাঠ ব্যবহার করে থাকে। থাকার জন্য দলটি বেছে নিয়েছে মিসৌরি নদীর পাড়ে অবস্থিত হোটেল অরিজিন, এটিও অনুশীলন কেন্দ্র ও স্টেডিয়ামের বেশ কাছাকাছি।
গ্রুপ পর্বের সূচি অনুযায়ী, কানসাসে প্রথম ম্যাচ খেলার পর আর্জেন্টিনা পাড়ি জমাবে ডালাসে। সেখানে এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘জে’-র বাকি দুটি ম্যাচ খেলবে তারা। ২২ জুন অস্ট্রিয়া এবং ২৭ জুন জর্ডানের মুখোমুখি হবে স্কালোনির শিষ্যরা।
কানসাস সিটি থেকে ডালাসের দূরত্ব প্রায় ৮০০ কিলোমিটার হলেও মূল ঘাঁটি এক জায়গায় স্থির রেখে যাতায়াত করার পরিকল্পনা করেছে এএফএ। সব মিলিয়ে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে নিজেদের মুকুট ধরে রাখতে এখন থেকেই কোনো খুঁত রাখছে না তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
