থাইল্যান্ডের কোর্টে ইতিহাস গড়ে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট মাথায় নিয়ে দেশে ফিরেছেন সাবিনা খাতুনরা। আজ রাতে বিমানবন্দরে অবতরণের পর থেকেই শুরু হয় চ্যাম্পিয়নদের রাজকীয় বরণ। সেখান থেকে ছাদখোলা বাসে করে উৎসবমুখর পরিবেশে নারী দলটিকে নিয়ে যাওয়া হয় হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে।
বাফুফের আয়োজনে বর্ণাঢ্য এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ফুটবলারদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেন ক্রীড়াপ্রেমীরা। যদিও ফুটসাল খেলাটি এ দেশে এখনো অনেকের কাছে নতুন, তবুও সাবিনাদের এই সাফল্য সাধারণ মানুষের মাঝে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মঞ্চে দাঁড়িয়ে অধিনায়ক সাবিনা খাতুন এই ট্রফি দেশবাসীকে উৎসর্গ করেন। আবেগঘন কণ্ঠে তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনই তাদের মাঠে লড়ে যাওয়ার প্রেরণা জুগিয়েছে।
সাবিনা মনে করেন, মানুষের এই ভালোবাসাই মেয়েদের আরও সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেবে। দলের এই অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বসিত ইরানি কোচ সাঈদ খোদারাহমিও। তিনি জানান, প্রথমবার অংশ নিয়েই মেয়েরা চ্যাম্পিয়ন হবে এটা তার কল্পনার বাইরে ছিল। ২০১৮ সালে শুরু হওয়া বাংলাদেশের ফুটসাল যাত্রা মাঝপথে থমকে গেলেও আট বছর পর নতুন করে গড়া এই দলটির হাত ধরেই এলো বড় এই আন্তর্জাতিক সাফল্য।
বাফুফে আশা করছে, সাবিনা-ঋতুপর্ণাদের এই ট্রফি জয় দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ফুটসালকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
