বায়ার্ন মিউনিখের মাঝমাঠের উদীয়মান তারকা আলেকজান্ডার পাভলোভিচ নিজের শারীরিক গঠনে আমূল পরিবর্তন এনে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। এক সময়কার রোগা-পাতলা সেই কিশোর ফুটবলার এখন বায়ার্ন মিডফিল্ডের অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত হয়েছেন। সম্প্রতি ‘অ্যাবসোলুট ফুসবল’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের এই বিবর্তনের গল্প শুনিয়েছেন ২১ বছর বয়সী এই জার্মান আন্তর্জাতিক ফুটবলার।
তিনি স্বীকার করেছেন, ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি ছিলেন ভীষণ লিকলিকে আর লাজুক স্বভাবের। নিজেকে ঠাট্টা করে ‘বিনপোল’ বা শিমের লাঠির সঙ্গে তুলনা করে পাভলোভিচ জানান, আজকের এই সুঠাম দেহের পেছনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন পর্তুগিজ কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। পেশাদারিত্ব এবং শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে রোনালদোকে নিজের আইডল মনে করেন তিনি। এলিয়ঞ্জ অ্যারেনার মতো কঠিন মঞ্চে টিকে থাকতে হলে যে পরিমাণ শক্তির প্রয়োজন, তা অর্জনে তিনি নিয়মিত পেশি গঠন এবং স্থায়িত্ব বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন।
নিজের শৈশব থেকেই বায়ার্ন মিউনিখের সাথে যুক্ত পাভলোভিচ এখন ক্লাবের অবিচ্ছেদ্য অংশ। চলতি মৌসুমে সব মিলিয়ে ৩১টি ম্যাচে মাঠে নেমে নিজের আত্মবিশ্বাসের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। মাঠে সবসময় বলের নিয়ন্ত্রণে থাকতে চাওয়া এই তরুণ মিডফিল্ডার মনে করেন, তিনি এখন ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে আছেন। ঘরের ছেলে হিসেবে বায়ার্নের প্রতি তার আনুগত্যও প্রশ্নাতীত। ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্লাবের সাথে চুক্তিবদ্ধ পাভলোভিচ জানিয়েছেন, বায়ার্ন মিউনিখ ছাড়া তিনি অন্য কিছু চিন্তাই করতে পারেন না। যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে, তবে ফুটবল ক্যারিয়ারের পুরোটা সময় এই ক্লাবেই কাটিয়ে দেওয়ার সুপ্ত ইচ্ছা পোষণ করেছেন তিনি।
সূত্র: গোল.কম
