ইন্টার মিয়ামির দক্ষিণ আমেরিকা সফরের রেশ ধরে ফুটবল বিশ্বে এখন নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে লিওনেল মেসির ২০২৬ বিশ্বকাপ ভাগ্য। কলম্বিয়ার আতানাসিও গিরাদত স্টেডিয়ামে অ্যাটলেটিকো ন্যাসিওনালের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের জয়ের পর দলের হেড কোচ হাভিয়ের মাশচেরানো যেন ভক্তদের মনে আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে দিয়েছেন।
ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে নিজের সাবেক সতীর্থকে নিয়ে মাশচেরানো বলেন, আসন্ন বিশ্বকাপে মেসির অংশগ্রহণের পথে তিনি বড় কোনো বাধা দেখছেন না। বরং মেসির ফিটনেস এবং খেলার প্রতি আগ্রহ দেখে তিনি বেশ ইতিবাচকভাবেই প্রশ্ন ছুড়ে দেন, কেন মেসি পরবর্তী বিশ্বকাপে খেলবেন না?
মাশচেরানোর এই মন্তব্য আর্জেন্টাইন সমর্থকদের জন্য বাড়তি উদ্দীপনা হিসেবে কাজ করছে। কারণ, এর আগে মেসি নিজেও জানিয়েছিলেন যে তিনি বিশ্বকাপ খেলতে প্রস্তুত যদি শরীর সায় দেয়।
২০২৫ সালের শেষ দিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেসি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, জাতীয় দলের জন্য বোঝা হয়ে নয় বরং কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন এমন নিশ্চয়তা পেলেই তিনি মাঠে নামবেন। বর্তমানে ইন্টার মিয়ামির কোচ হিসেবে মাশচেরানো মেসির শারীরিক অবস্থা এবং ম্যাচ টাইমিং খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সঠিক পরিকল্পনা এবং নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে মেসিকে বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত রাখা সম্ভব।
ইন্টার মিয়ামির এই প্রাক-মৌসুম সফর কেবল বাণিজ্যিক সাফল্যই বয়ে আনছে না বরং এটি মেসির ফর্ম যাচাইয়ের বড় একটি মঞ্চ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাশচেরানো মনে করেন, আর্জেন্টিনা দল গত কয়েক বছর ধরে যেভাবে উচ্চ মানের ফুটবল খেলছে, তাতে মেসির অন্তর্ভুক্তি দলের শক্তিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। বর্তমানে মিয়ামি তাদের পরবর্তী গন্তব্য ইকুয়েডরের গুয়ায়াকিলের দিকে নজর দিচ্ছে, যেখানে বার্সেলোনা এসসি-র বিপক্ষে মাঠে নামবেন এলএম-টেন।
