টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে অনন্য এক উচ্চতায় পৌঁছে গেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ব্যাট-বলের লড়াইয়ে যেখানে ব্যাটসম্যানদেরই দাপট বেশি থাকে, সেখানে বল হাতে নিজের জাদুকরী পারফরম্যান্সে বিশ্বমঞ্চে রাজত্ব করছেন তিনি। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের আটটি আসরে অংশ নিয়ে সাকিব শিকার করেছেন ৫০টি উইকেট, যা এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে যে কোনো বোলারের জন্য সর্বোচ্চ।
ম্যাচের কঠিন মুহূর্তে সাকিবের অভিজ্ঞ হাতের ঘূর্ণি বারবার বাংলাদেশের জন্য ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। নতুন বল হাতে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরা কিংবা ডেথ ওভারে রানের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখা; সবখানেই সাকিব দেখিয়েছেন নিজের মুন্সিয়ানা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শীর্ষ উইকেটশিকারিদের তালিকায় সাকিবের পরের অবস্থানেই রয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। তিনি ৩৪ ম্যাচে নিয়েছেন ৩৯টি উইকেট। তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা লঙ্কান পেসার লাসিথ মালিঙ্গার ঝুলিতে রয়েছে ৩১ ম্যাচে ৩৮টি উইকেট।
বিশ্বকাপের এই গৌরবোজ্জ্বল তালিকায় আরও নাম লিখিয়েছেন বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা লেগ স্পিনার শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা এবং আফগানিস্তানের রশিদ খান। দুজনেই ৩৭টি করে উইকেট নিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। এছাড়া অ্যাডাম জাম্পা, সাঈদ আজমল ও টিম সাউদির মতো বিশ্বখ্যাত বোলাররা ৩৬টি করে উইকেট শিকার করে এই অভিজাত তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন। তবে সবাইকে ছাড়িয়ে সাকিবের এই রেকর্ড কেবল তার ব্যক্তিগত অর্জনই নয়, বরং বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের সামর্থ্যের এক বলিষ্ঠ প্রতিফলন।
