মেসির নেতৃত্বেই টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিতবে আর্জেন্টিনা?

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে লিওনেল মেসি ও আর্জেন্টিনা দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজের গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন ১৯৭৮ বিশ্বকাপ জয়ী কিংবদন্তি স্ট্রাইকার মারিও কেম্পেস। আগামী ১১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডার যৌথ আয়োজনে শুরু হতে যাওয়া ফুটবলের এই মহাযজ্ঞ ঘিরে বিশ্বজুড়ে যখন উন্মাদনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই আলবিসেলেস্তেদের সম্ভাবনা নিয়ে মুখ খুললেন ‘এল মাটাডোর’। র

দ্রিগো রিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেম্পেস জানান যে তিনি বর্তমান আর্জেন্টিনা দলকে নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী। তার মতে, কাতার বিশ্বকাপে শিরোপা জেতার পর দলের খেলার ধরনে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি এবং বাছাইপর্বের ম্যাচগুলোতেও ফুটবলারদের মধ্যে সেই একই জেদ ও ক্ষুধা লক্ষ্য করা গেছে। কেম্পেস বিশ্বাস করেন, আর্জেন্টিনা সবসময়ই টুর্নামেন্টের প্রধান দাবিদার হিসেবে মাঠে নামে এবং এবারও তারা সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।

অধিনায়ক লিওনেল মেসির অংশগ্রহণ নিয়ে ফুটবল বিশ্বে যে গুঞ্জন চলছে, সে বিষয়েও নিজের মতামত জানিয়েছেন এই সাবেক চ্যাম্পিয়ন। কেম্পেসের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে মেসিকে আগের চেয়ে অনেক বেশি সতেজ ও ফুরফুরে মনে হচ্ছে। ইউরোপিয়ান ফুটবলের তুলনায় আমেরিকান লিগের চাপ কিছুটা কম হওয়ায় মেসি শারীরিকভাবে ভালো অবস্থায় আছেন বলে তিনি মনে করেন।

কেম্পেস আরও যোগ করেন, মেসি মূল একাদশে খেলুন কিংবা বদলি হিসেবে মাঠে নামুন, দলের ওপর তার প্রভাব সবসময়ই অপরিসীম থাকবে। শেষ পর্যন্ত তার শরীর কীভাবে সাড়া দেয় তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করলেও, দলের প্রয়োজনে মেসির উপস্থিতিই হবে আর্জেন্টিনার জন্য বড় শক্তি।

উল্লেখ্য, আসন্ন এই বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা গ্রুপ ‘জে’-তে অবস্থান করছে। তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া এবং জর্ডান। ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা তাদের শিরোপা রক্ষার মিশন শুরু করবে। ইতিহাসে কেবল ইতালি এবং ব্রাজিলই টানা দুবার বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব অর্জন করতে পেরেছে। এখন দেখার বিষয় হলো, লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা কেম্পেসের এই প্রত্যাশা পূরণ করে তৃতীয় দেশ হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার সোনালি ট্রফিটি নিজেদের করে নিতে পারে কি না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back To Top