খেলার মাঠের উত্তেজনা এবার মাঠের বাইরে! ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে ভারত আর চীনে কি তবে অন্ধকার ঘনিয়ে আসছে? ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই মহাযজ্ঞ শুরু হতে হাতে সময় আছে মাত্র কয়েক সপ্তাহ, অথচ বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দুই দেশেই সম্প্রচার নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। কোটি কোটি ফুটবল ভক্তের দীর্ঘ প্রতীক্ষা কি তবে বিফলে যাবে?
গল্পটা শুরু হয়েছে টাকার অঙ্ক নিয়ে ফিফা আর সম্প্রচারকারী সংস্থাগুলোর দড়ি টানাটানির মধ্য দিয়ে। বিশেষ করে ভারতে রিলায়েন্স-ডিজনি জোট যে প্রস্তাব দিয়েছে, তাকে ফিফার জন্য এক প্রকার বড় ধাক্কা হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। যেখানে আগের আসরেই স্বত্ব বিক্রি হয়েছিল মোটা অঙ্কে, সেখানে এবার কেন এই চরম অনীহা?
সূত্র বলছে, বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো আমেরিকা ও মেক্সিকোর সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভারতের গভীর রাতে বা ভোরে শুরু হবে, আর এই সময়ের পার্থক্যে দর্শক হারানোর ভয়ে বড় কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না ভারতীয় মিডিয়া জায়ান্টরা। সনিও এরই মধ্যে এই দৌড় থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে।
ওদিকে চীনের চিত্রটাও বেশ ধোঁয়াশাময়; গত বিশ্বকাপের প্রায় অর্ধেক ডিজিটাল ভিউয়ারশিপ যেখানে চীন থেকে এসেছিল, সেখানে এবারের নীরবতা সবাইকে অবাক করে দিচ্ছে।
সময় বয়ে যাচ্ছে দ্রুত, হাতে আছে মাত্র এক মাস। এখনো কোনো চ্যানেলে নেই কোনো প্রমোশন, নেই বিজ্ঞাপনের তোড়জোড়। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই কি তবে ভারত আর চীনের বাজার হারাবে ফিফা? নাকি শেষ মুহূর্তে দাবার কোনো এক চালে পাল্টে যাবে সব দৃশ্যপট?
