বিশ্বকাপের দামামা বাজতে বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন, ঠিক তখনই ফুটবল বিশ্বে টর্নেডো বইয়ে দিলেন এক ১৭ বছরের কিশোর! তিনি গিলবার্তো মোরা। মেক্সিকোর এই বিস্ময় বালক যেন স্রেফ ফুটবলার নন, এক জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি।
চোটের দীর্ঘ অন্ধকার গলি পেরিয়ে মাঠে ফিরেই সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিশ্বশক্তির দিকে। গুয়াদালাহারায় গোলশূন্য ড্রয়ের পর ঘাম ভেজা শরীরেই যখন মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়ালেন, তখন তার কণ্ঠে ছিল না কোনো ক্লান্তি, বরং ছিল হিমশীতল আত্মবিশ্বাস। মোরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, নিজেদের মাটিতে এবার মেক্সিকো শুধু অংশগ্রহণ করতেই নামছে না, তারা নামছে সোনালী ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরতে।
সমালোচকরা যখন ঘরের মাঠের চাপের কথা বলে ভ্রু কুঁচকাচ্ছেন, মোরা তখন যেন এক গাল হেসে উড়িয়ে দিচ্ছেন সব শঙ্কা। তার মতে, গ্যালারির গর্জন তাদের জন্য চাপ নয়, বরং প্রতিপক্ষের বুকে কাঁপন ধরানোর ব্রহ্মাস্ত্র।
গোল্ড কাপ জয়ী এই সর্বকনিষ্ঠ তরুণ তুর্কি এখন কোচ হাভিয়ার আগুইরের তুরুপের তাস। লিগা এমএক্সের ইতিহাসে সব রেকর্ড দুমড়েমুচড়ে দেওয়া এই মিডফিল্ডার এখন শতভাগ ফিট, যার ড্রিবলিংয়ের জাদুতে এরই মধ্যে কড়া নাড়ছে ইউরোপের বড় বড় ক্লাবগুলো।
এসি মিলান থেকে ফেইনুর্ড, সবার নজর এখন এই মোরার দিকে। ইতিহাস বলে মেক্সিকো কখনো সেমিফাইনালের মুখ দেখেনি, কিন্তু মোরার অদম্য জেদ বলছে এবার পাল্টে যাবে সব সমীকরণ।
