ফুটবল বিশ্বের সব নজর এখন ২০২৬ বিশ্বকাপকে। মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই সাজ সাজ রব পড়ে গেছে দলগুলোর অন্দরে। কার কপালে জুটবে টিকিট আর কে বাদ পড়বেন দল থেকে, সেই রোমাঞ্চকর ক্ষণ ঘনিয়ে আসছে।
ফিফার ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২ জুন ফুটবল দুনিয়া জানতে পারবে ৪৮টি দলের সেই কাঙ্ক্ষিত চূড়ান্ত তালিকা। তবে পর্দার আড়ালে কাজ শুরু হয়ে যাচ্ছে অনেক আগে থেকেই। কোচদের কাঁধে এখন বিশাল ভার, কারণ তাদের প্রথমে ৩৫ থেকে ৫৫ জনের একটি প্রাথমিক তালিকা ফিফাকে জমা দিতে হবে, যেখানে অন্তত চারজন গোলরক্ষক থাকা বাধ্যতামূলক। যদিও এই গোপন তালিকা ফিফা প্রকাশ করবে না। তবে এখান থেকেই ছেঁকে নেওয়া হবে সেরা যোদ্ধাদের।
এবারের বিশ্বকাপে স্কোয়াডের আকার নিয়ে জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ফিফা নিশ্চিত করেছে, কাতার বিশ্বকাপের মতো এবারও প্রতিটি দল ২৬ জন খেলোয়াড় নেয়ার সুযোগ পাচ্ছে। তবে কোনো দল চাইলে সর্বনিম্ন ২৩ জন খেলোয়াড়ও রাখতে পারে। প্রতিটি দলে অন্তত তিনজন গোলরক্ষক থাকা আবশ্যক।
ক্লাব ফুটবলের ব্যস্ততা ঝেড়ে ফেলে ফুটবলারদের প্রস্তুতির জন্য ২৫ মে থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্রামের সময়সীমা। তবে যারা মহাদেশীয় ক্লাব টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলবেন, তারা ৩০ মে পর্যন্ত কিছুটা ছাড় পাচ্ছেন। কিন্তু নিয়মের কড়াকড়িও আছে বেশ, মারাত্মক চোট বা অসুস্থতা ছাড়া একবার চূড়ান্ত দল ঘোষিত হয়ে গেলে সেখানে হাত দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে প্রথম ম্যাচের ২৪ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রাথমিক তালিকা থেকে খেলোয়াড় বদল করা যাবে। মাঠের যুদ্ধের আগে দল গঠনের এই স্নায়ুচাপ এখন তুঙ্গে, কারণ এই ২৬ জন বীরের ওপরই নির্ভর করছে কোটি কোটি ভক্তের স্বপ্ন আর একটি সোনালি ট্রফির ভাগ্য।
সূত্র: ফিফা
