ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি মাঠের বাইরের জীবন নিয়েও সবসময়ই আলোচনায় থাকেন। এবার তিনি নিজেই শোনালেন তার জীবনের ব্যক্তিগত ও রোমান্টিক মুহূর্তের গল্প। ইন্টার মায়ামি সুপারস্টার সম্প্রতি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের জীবনসঙ্গিনী আন্তোনেলা রোকুজ্জোকে তিনি ঠিক কীভাবে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ছোটবেলা থেকেই একে অপরকে চেনা এই জুটির প্রেম অনেকটা রূপকথার মতোই, যা বার্সেলোনার এক নিভৃত ডিনারে রূপ নিয়েছিল পরিণয়ের চূড়ান্ত ধাপে।
মেসি জানান, তাদের বিয়েটা হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত ছিল না। থিয়াগো এবং মাতেওর জন্মের পর, যখন তারা ইতোমধ্যেই একটি সুন্দর সাজানো পরিবারের অংশ, তখন বার্সেলোনার একটি হোটেলে ডিনারের সময় তিনি আন্তোনেলাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের প্রস্তাব দেন। মেসির ভাষায়, বিষয়টি এমন ছিল না যে হুট করে একদিন তাদের মনে হলো বিয়ে করা দরকার বরং দিনটি ছিল তাদের সুন্দর বন্ধনকে একটি আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার মাধ্যম।
দুজনে মিলে ভবিষ্যতের তারিখ ও পরিকল্পনা ঠিক করার সেই মুহূর্তকে মেসি রোমান্টিক শৈলীতে সাজিয়েছিলেন। ২০১৭ সালে আর্জেন্টিনার রোজারিওতে রাজকীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের সেই চার হাত এক হয়।
বর্তমানে মায়ামিতে থাকলেও আন্তোনেলা জানিয়েছেন তাদের জীবন অনেকটা সাধারণ পরিবারের মতোই। সকালে বাচ্চাদের স্কুলে পৌঁছে দেওয়া থেকে শুরু করে জিম এবং নিয়মিত সাংসারিক কাজের মাধ্যমেই কাটে তাদের দিন। তবে মায়ামির চাকচিক্যের মাঝেও মেসিরা ভুলতে পারছেন না প্রিয় শহর বার্সেলোনাকে। ২০২৫ সালের এক সাক্ষাৎকারে মেসি স্বীকার করেছেন, তিনি এবং তার পরিবার এখনো বার্সেলোনাকে প্রতিনিয়ত মিস করেন। এমনকি ইন্টার মায়ামির সাথে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ থাকলেও অবসরের পর নিজের সাজানো বাড়ি আর স্মৃতিঘেরা সেই শহরেই থিতু হওয়ার প্রবল ইচ্ছা পোষণ করেছেন এই কিংবদন্তি।
সূত্র: গোল.কম
